সম্মানিত পাঠকগন আপনারা অনেকেই আমার মত আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওয়জ
শুনতে খুব পছন্দ করতেন। কিন্তু বর্তমানে শুনতে না পেরে কষ্ট পাচ্ছেন। আমিও
আপনাদের মত কষ্ট পাচ্ছি। তবে আমার কষ্টটা একটু ভিন্ন ধরনের। অনেকটা
তথ্যভিত্তিক। একটু মনোযোগ সহকারে নিচের লেখাটি পডেন।
1989 সাল: স্থান : লাল দীঘির ময়দান, চট্রগ্রাম, তাফসিরুল কুর-আন মাহফিল চলাকালে মাওলানা সাঈদী এক পর্যায়ে বল্লেন ইসলামে নারী নেত্রীত্ব হারাম। তিনি উপস্থিত ধর্মপ্রান ( ধর্মান্ধ) লোকদের উদ্দেশে বল্লেন ‘আপনারা কারা কারা আর ওই দুই নারীর পিছনে হাটবেননা তারা হাত তুলে ওয়াদা করুন। কারণ নারী নেত্রীত্ব হারাম হারাম হারাম।’ সমাবেত জনগনের সাথে আমার বাবা হাত তুলে এই মহান মাওলানার সাথে ওয়াদা করে আর কখনোই এই দুই নারী ( খালেদা, ও হাসিনা ) এর রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্ক রাখবনা এবং তাদেরকে বা তাদের প্রতিনিধিকে ভোট দিবেনা। আমার বাবা ধর্মপ্রণ অথবা ধর্মান্ধ হওয়ার কারণে সেদিন শপথ করে।
1991 সালঃ সাধারণ নির্বাচন। আমার বাবা সাঈদী কে দেওয়া কথা রখতে ও নিজেকে খাঁটি মুসলমান প্রমাণ করানোর জন্য নির্বচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।
শিক্ষার বিষয়ঃ একজন মুসলমানের ওয়াদা বরখেলাপ কারা জঘন্ন অন্যায়।
আসুন উপরের উদ্দিপকটির সাথে নিচের ঘটনাটা মিলিয়ে দেখিঃ-
1991 সালের সাধারণ নির্বাচনে মহান সাঈদী ও তার দল বি, এন, পি এর সাথে সরকার গঠন করে।
অতপর 1996 সালে আওয়ামিলীগ এর সাথে একত্রিত হয়ে হাসিনার নেত্রীত্বে খালেদা বিরোধী আন্দোলনে নামে।
শিক্ষার বিষয়ঃ সম্ভবত 1991 এ খালেদা জিয়া এবং 1996 সালে শেখ হাসিনা পুরুষ ছিল। অথবা সাঈদী ওয়াদা বরখেলাপকারী।
একটি অনুধাবন মূলক সৃজনশীল প্রশ্নঃ ওয়াদা বরখেলাপকারীকে কুর-আন এর আলোকে কি বলা হয়?
সম্মানিত পাঠকগন সত্য বলে আপনাদের মনে কিন্চিৎ দূঃখ দিয়ে থাকলে অনুগ্রহপূর্বক ক্ষমা করে দিবেন।
আর ভাইবেননা যে আমি আওয়ামিলীগ করি।
সে সুযোগ নেই করণ 1) তাদের জ্বালায় (ছাত্রলীগ) আমরা অতিষ্ঠ।
2) আমিও আমার বাবার সাথে সাঈদীকে কথা দিয়েছিলাম ওই দুই নারী বা তাদের অনুসারিদেরকে ভোট দিবোনা।
************* পাঠকেগন আমি এখন কি করবো দয়া করে জানাবেন।***********************
****************** ভালো লাগলে মন্তব্য দিবেন, লাইক দিবেন।*************************
1989 সাল: স্থান : লাল দীঘির ময়দান, চট্রগ্রাম, তাফসিরুল কুর-আন মাহফিল চলাকালে মাওলানা সাঈদী এক পর্যায়ে বল্লেন ইসলামে নারী নেত্রীত্ব হারাম। তিনি উপস্থিত ধর্মপ্রান ( ধর্মান্ধ) লোকদের উদ্দেশে বল্লেন ‘আপনারা কারা কারা আর ওই দুই নারীর পিছনে হাটবেননা তারা হাত তুলে ওয়াদা করুন। কারণ নারী নেত্রীত্ব হারাম হারাম হারাম।’ সমাবেত জনগনের সাথে আমার বাবা হাত তুলে এই মহান মাওলানার সাথে ওয়াদা করে আর কখনোই এই দুই নারী ( খালেদা, ও হাসিনা ) এর রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্ক রাখবনা এবং তাদেরকে বা তাদের প্রতিনিধিকে ভোট দিবেনা। আমার বাবা ধর্মপ্রণ অথবা ধর্মান্ধ হওয়ার কারণে সেদিন শপথ করে।
1991 সালঃ সাধারণ নির্বাচন। আমার বাবা সাঈদী কে দেওয়া কথা রখতে ও নিজেকে খাঁটি মুসলমান প্রমাণ করানোর জন্য নির্বচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।
শিক্ষার বিষয়ঃ একজন মুসলমানের ওয়াদা বরখেলাপ কারা জঘন্ন অন্যায়।
আসুন উপরের উদ্দিপকটির সাথে নিচের ঘটনাটা মিলিয়ে দেখিঃ-
1991 সালের সাধারণ নির্বাচনে মহান সাঈদী ও তার দল বি, এন, পি এর সাথে সরকার গঠন করে।
অতপর 1996 সালে আওয়ামিলীগ এর সাথে একত্রিত হয়ে হাসিনার নেত্রীত্বে খালেদা বিরোধী আন্দোলনে নামে।
শিক্ষার বিষয়ঃ সম্ভবত 1991 এ খালেদা জিয়া এবং 1996 সালে শেখ হাসিনা পুরুষ ছিল। অথবা সাঈদী ওয়াদা বরখেলাপকারী।
একটি অনুধাবন মূলক সৃজনশীল প্রশ্নঃ ওয়াদা বরখেলাপকারীকে কুর-আন এর আলোকে কি বলা হয়?
সম্মানিত পাঠকগন সত্য বলে আপনাদের মনে কিন্চিৎ দূঃখ দিয়ে থাকলে অনুগ্রহপূর্বক ক্ষমা করে দিবেন।
আর ভাইবেননা যে আমি আওয়ামিলীগ করি।
সে সুযোগ নেই করণ 1) তাদের জ্বালায় (ছাত্রলীগ) আমরা অতিষ্ঠ।
2) আমিও আমার বাবার সাথে সাঈদীকে কথা দিয়েছিলাম ওই দুই নারী বা তাদের অনুসারিদেরকে ভোট দিবোনা।
************* পাঠকেগন আমি এখন কি করবো দয়া করে জানাবেন।***********************
****************** ভালো লাগলে মন্তব্য দিবেন, লাইক দিবেন।*************************